চিনের সঙ্গে সম্পর্ক আর্থিক হলেও রক্তের বন্ধু ভারত, বার্তা শেখ হাসিনার

 

জি ২০ সম্মেলনে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে দেড় ঘণ্টা বৈঠক করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপ ও চাপের কথা যেমন তুললেন হাসিনা, তেমনি নরেন্দ্র মোদীকে আশ্বস্ত করলেন— চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিতান্তই বাণিজ্যিক ও আর্থিক। রক্তের সম্পর্ক মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গী ভারতের সঙ্গেই।

হাসিমুখে হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানান নরেন্দ্র মোদী। গোটা বৈঠকটিই হয়েছে ইতিবাচক উষ্ণ আবহে। উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর-সহ দু’দেশের কর্তারা। ছিলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী আব্দুল মোমেন।

হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরে নিজের এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) মোদী বাংলায় লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। গত ৯ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অগ্রগতি খুবই সন্তোষজনক।’’ তিনি আরও লেখেন, ‘‘আমাদের আলোচনায় বাণিজ্যিক সংযোগ, সার্বিক সংযুক্তি এবং আরও অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।” বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে বলা হচ্ছে, কথাবার্তা হয়েছে ‘আন্তরিক এবং খোলামেলা পরিবেশে’। ‘পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস এবং মৈত্রীর’ প্রতিফলন ঘটেছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায়।

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় গল্প

সর্বশেষ ভিডিও