পুরনো সংসদ ভবনের তুলনায় নতুন সংসদ ভবনের নিরাপত্তা কম! অভিযোগ শশী থারুর

সংসদ হামলার ২২তম বর্ষে সংসদে ফিরল সংসদ হামলার স্মৃতি। বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন ২ ব্যক্তি দর্শক গ্যালারি থেকে নীচে লাফ দিয়ে নামেন। তারপর হলুদ রঙের একটি স্প্রে ছড়িয়ে দিতে শুরু করেন তাঁরা। হলুদ রঙের ঝাঁঝালো ধোঁয়ায় ভরে যায় গোট সদন। এই ঘটনার জেরে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি শুরু করে দেন উপস্থিত ২০০’র কাছে সাংসদ।
স্মোক স্প্রে করার সময় তাঁদের বলতে শোনা যায়, ‘‘মণিপুরের মহিলাদের ন্যায়বিচার দিতে হবে। তানাশাহি চলবে না।’’

এই ঘটনার জেরে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে। চলতি বছরে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিজেপির দাবি ছিল, নতুন সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ঢেলে সাজানো হয়েছে। নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে মাঝি গলারও উপায় নেই। তারমধ্যে এই ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
কংগ্রেস সাংসদ কার্তি চিদাম্বরম বলেছেন, ‘‘সংসদ হামলার বর্ষপূর্তিতে এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে সংসদের সুরক্ষা ব্যবস্থার আসল ছবিটা দেখিয়ে দিল।’’

সংসদের নিরাপত্তা লঙ্ঘন নতুন সংসদ ভবনে একটি অধিবেশন চলাকালীন উদ্ভূত নিরাপত্তা প্রোটোকল সম্পর্কে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর এই ঘটনার উপর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। থারুর বলেছেন, “এই মানুষগুলিকে দৃশ্যত শাসক দলের (বিজেপির) একজন বর্তমান সাংসদ দ্বারা পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়েছে, এটা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। এই ঘটনাটি আমাদের সংসদীয় ব্যবস্থায় একটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি প্রকাশ করে।”
থারুর উল্লেখ করেছেন, “তারা শুধু ধোঁয়ায় পিস্তলই আনতে পারেনি, কিন্তু তারা প্রাঙ্গণের মধ্যেই গুলি চালায়। এটি একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত যে নতুন ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হলে তা মানানসই নয়।
পুরনো সংসদ ভবনের তুলনায় নতুন সংসদ ভবনের নিরাপত্তা কম বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় গল্প

সর্বশেষ ভিডিও