বিশৃঙ্খা তৈরি করাই ছিল ললিতদের লক্ষ্য, দাবী পুলিশের

 

বিশৃঙ্খা তৈরি করাই তাদের লক্ষ, যাতে সরকার তাদের দাবি মানতে বাধ্য হয়। বুধবার সংসদের হুজ্জতি কান্ডে ধৃতদের এমনটাই পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করলো দিল্লি পুলিশ। পাটিয়ালা হাউস কোর্টে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই ঘটনায় ধৃত ললিত ঝা এবং বাকি পাঁচজন একাধিক বার নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেছে যাতে কি ভাবে সংসদের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনি পেরিয়ে তারা ভিতরে ঢুকে হুজ্জতি করতে পারে।

অন্য কোনও দেশের মাধ্যমে তারা প্ররোচিত কিনা, সেটাও যাচাই করে দেশা হচ্ছে। অথবা তারা কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্য কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা নিজেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পাতিয়ালা হাউস আদালতে তাঁকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। এই ‘সুপরিকল্পিত হামলার’ পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র আছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্তে জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০০১ সালের সংসদ হামলার বার্ষিকীতেই এমন ঘটনাকে মোটেও হেলাফেলা করতে চাইছেন না তদন্তকারীরা।

দিল্লি পুলিশ হেফাজতের শুনানির সময় পাতিয়ালা হাউস আদালতে জানায়, সংসদের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের পিছনে মূল ষড়যন্ত্রকারী ললিত ঝা জানিয়েছেন, তারা ‘দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে’ চেয়েছিল। কেন? কারণ এর মাধ্যমে তারা সরকারকে তাদের দাবি পূরণে বাধ্য করতে চেয়েছিল।

সর্বশেষ সংবাদ

জনপ্রিয় গল্প

সর্বশেষ ভিডিও